সকল বিভাগ সমূহ।

"কেউ হেদায়েতের দিকে আহ্বান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরন করেছে তাদের সওয়াবের কোন কমতি হবে না।" [সহিহ মুসলিমঃ ২৬৭৮]

  • বইয়ের নাম
    বইঃ সুনান আদ-দারা কুতনী।
     লেখক, লেখিকা / অনুবাদক
    ইমাম আলী ইবন উমার আদ-দারা কুতনী (র)
     প্রকাশনীর নাম
    ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
     ডাউনলোড করুন

    আল্লাহ তায়ালার মহান কিতাব আল-কুরআন এবং আমাদের প্রিয় নবী সায়্যিদুল মুরসালীন ও খাতিমুন-নাবিয়ীন (সা.)-এর সুন্নাহ তথা হাদীস ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডারের মূল উৎস। এই উৎসদ্বয়ের উপর ভিত্তি এক মহাসমুদ্র সমান জ্ঞানভাণ্ডার গড়ে উঠেছে। কুরআনের সাথে সাথে মহানবী (সা.)-এর হাদীস আমাদেরকে যুগের পর যুগ কালের পর কাল এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ইসলামের আলোকোজ্জ্বল পথে পরিচালিত করে যাচ্ছে। বহু যুগ পার হওয়া সত্ত্বেও মুসলমানরা দীন ইসলামের মূল শিক্ষা থেকে যে বিচ্যুত হয়নি, তাতে পাশ্চাত্যের পণ্ডিতগণের অবাক হওয়ার অবধি নেই।
    কুরআন-হাদীসের শিক্ষা এবং মুসলিম মনীষীদের এই শিক্ষার অব্যাহত চর্চাই তাদেরকে মূল বিশ্বাসে অটুট থাকতে সাহায্য করেছে। ইয়াহুদী-খ্রিস্টান ধর্মবেত্তাগণ তাওরাত-ইনজীলের মূল পাঠকে হুবহু রক্ষা করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। উপরন্তু তারা এর বাণীর ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মূল পাঠের বিকৃতি, বিলুপ্তি ও সংযোজন ঘটিয়েছেন ব্যাপকভাবে । ফলে তারা ধর্মের মূল শিক্ষা থেকে চরমভাবে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে।
    পক্ষাত্তরে মুসলিম উম্মাহের ধর্মবেত্তাগণ কুরআনের মূল পাঠ অবিকল অবস্থায় ঠিক রাখার সাথে সাথে মহানবী (সা.)-এর হাদীসকেও একইভাবে সংরক্ষণ করেছেন। তারা যেমন লেখনীর মাধ্যমে, অদ্রুপ দৈনন্দিন জীবনে বাস্তব আমলের মাধ্যমে তা অতীতের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করেছেন ।
    উম্মতের মনীষীবৃন্দ সর্বদা এই উম্মতকে এভাবে কুরআন-হাদীস সংরক্ষণের মাধ্যমে আলোকোজ্জ্বল পথে পরিচালিত করে আসছেন। খৃস্টানরা দুশো বছরের মাথায় তাদের কিতাবের মূল শিক্ষা হারিয়ে ফেলেছে। আর মুসলমানরা চৌদশত বছর ধরে ইসলামের মূল শিক্ষাকে অবিকল অবস্থায় উদ্ভাসিত রেখেছে।
    এমনি একটি হাদীস গ্রন্থ ইমাম আদ-দারা কুতনী (রহ) রচিত সুনান গ্রন্থ।
    এই গ্রন্থে ইমাম দারা কুতনী (রহ) হাদীস বর্ণনার পাশাপাশি হাদীসের রাবীগণের অবস্থা, হাদীস গ্রহণীয় না বর্জনীয় প্রভৃতিও উল্লেখ করেছেন।

  • বইয়ের নাম
    বই : সুনানু নাসাঈ শরীফ।
     লেখক, লেখিকা / অনুবাদক
    ইমাম আবু  আবদির রাহমান আহমদ ইবন শু আয়ব আন-নাসাঈ (র)
     প্রকাশনীর নাম
    ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
     ডাউনলোড করুন

    সিহাহ সিত্তাহর হাদীস গ্রন্থসমূহের মধ্যে সুনানু নাসাঈ শরীফ অন্যতম। ইমাম নাসাঈ (৮৩০-৯১৫ খ্রি) এই হাদীস গ্রন্থটি সংকলন করেন। রাসূল (ছাঃ) এর বিশুদ্ধ হাদীস সমূহ সংকলনের উদ্দেশ্যে তিনি আরবের বিভিন্ন অঞ্চল সফর করেন। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম ও সাধনার ফলশ্রুতিতে অত্র গ্রন্থ সংকলিত হয়। এটির বাংলা অনুবাদ করেছে 
    ইসলামিক ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ।

  • বইয়ের নাম
    বইঃ সুনান ইবনে মাজাহ তাহক্বীক ।
     লেখক, লেখিকা / অনুবাদক
    ইমাম ইবন মাজাহ (রহ)
     প্রকাশনীর নাম
    তাওহীদ পাবলিকেশন্স
     ডাউনলোড করুন

    মূলঃ ইমাম ইবন মাজাহ (রহঃ)

    সুনান ইবনে মাজাহ প্রসিদ্ধ ছয়টি হাদীস গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম। হাদীস শাস্ত্রে ইমাম ইবনে মাজাহর অন্যতম অবদান এটি। ইমাম ইবন মাজাহ (রহ) সারাজীবন গভীর সাধনা, নিরবচ্ছিন্ন অধ্যবসায় ও ঐকান্তিক অভিনিবেশের মাধ্যমে হাদীস সংগ্রহ ও লিপিবদ্ধ করেন। এ গ্রন্থে অনেক মূল্যবান হাদীস রয়েছে যা অন্য কুতুবে সিত্তাহতে নেই। গ্রন্থটিতে ইমাম ইবনে মাজাহ ফিকহী মাসআলার তরতীব অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছেন। হাদীসের বিন্যাস পদ্ধতি অনুপম ও অনন্য সাধারণ। সেই সাথে কোন পুন:পুন: হাদীস উল্লেখ করা হয়নি। এর বাব (পরিচ্ছেদ) গুলো দীর্ঘ নয়। এই গ্রন্থটির পূর্ণাঙ্গ তাহকীক সহ অনুবাদ ও প্রকাশ করেছে তাওহীদ পাবলিকেশন্স। সবগুলো খন্ড একত্রিত করে জিপ (zip) আকারে ডাউনলোড লিংক দেয়া হয়েছে।

    এই অনুবাদটি অনন্য বৈশিষ্ট্য :

    |● হাদীসের প্রাণ সনদ নিয়ে এই প্রথম আরবীর পাশাপাশি বাংলায় পূর্ণাঙ্গ সনদ উল্লেখ করা হযেছে।
    |● যেসব রাবী দুর্বল সেসব আলাদাভাবে আন্ডারলাইন করা হয়েছে।
    কোন হাদীসের একাধিক সনদ থাকলে তার সবগুলোই আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
    |● কোন হাদীসের সনদে দুর্বলতা থাকলেও অন্য হাদীসে শাহেদ হাদীষ থাকলেও তা উল্লেখ করা হেয়ছে।
    |● প্রতিটি খন্ডের শেষে হাদীস বর্ণনাকারী দুর্বল রাবীদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি উল্লেখ করা হয়েছে। যা রিজালে ডিরেক্টরীর সাথে তুলনা করা যায়।
    |● রাবীদের জারাহ তা’দী বা দোষগুণ বর্ণনাকারী শতাধিক মুহাক্কিগণের নামের তালিকা ও তাদের উদ্ধৃতি উল্লেখ করা হয়েছে।
    |● অন্যান্য প্রসিদ্ধ হাদীস গ্রন্থের আলোকে তাখরীজ করা হয়েছে। সেই সাথে তাহক্বীকও উল্লেখ করা হয়েছে।
    |● একই বিষয়ের হাদীস অন্য হাদীসের সাথে মিল থাকলে সেটারও নম্বর দেয়া হয়েছে।
    |● বাংলা সূচীপত্রের পাশাপাশি আরবী সূচীও উল্লেখ করা হয়েছে।
    |● হাদীসে কুরআনের আয়াত আসলেও তা সূরা ও আয়াত নম্বর সহ উল্লেখ করা হয়েছে।
    |● কোন পর্বে কতটি অধ্যায় ও কতটি হাদীস রয়েছে তা সংক্ষিপ্তভাবে জানার জন্য বিশেষ সূচী নির্দেশিকা রয়েছে।
    |● হাদীসে কুদসী চিহ্নিত করা রয়েছে।
    |● মুতাওয়াতির, মারফু, মাওকুফ, মাকতু হাদীস চিহ্নিত করা রয়েছে।
    |● প্রতিটি খন্ডের শেষে পরবর্তী খন্ডে সুচী নির্দেশিকা রয়েছে।
    |● সুনান ইবনে মাজাহতে ইমাম ইবনে মাজাহ ও তাঁর ছাত্রদের বক্তব্যও উল্লেখ রয়েছে।
    |● বইটিতে ইন্টারেকটিভ লিংক যুক্ত করা রয়েছে।

  • বইয়ের নাম
    বইঃ সহীহ আত-তিরমিযী তাহক্বীক।
     লেখক, লেখিকা / অনুবাদক
    আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আস-সুলামি আদ-দারির আল-বুগি আত-তিরমিজি
     প্রকাশনীর নাম
    হুসাইন আল মাদানী
     ডাউনলোড করুন

    হাদীস গ্রন্থগুলোর মধ্যে জামি’ আত-তিরমিযী অন্যতম। হাদীস গ্রন্হ গুলোর মধ্যে জামি’ পর্যায়ের হাদীস দুটির মধ্যে এটি একটি অন্যটি হলো সহীহ আল বুখারী। প্রখ্যাত ছয়টি হাদীস গ্রন্থগুলোর মধ্যে তৃতীয় স্থানের অধিকারী। এই হাদীস গ্রন্থটি সম্পর্কে ইমাম তিরমিযী বলেন, যার ঘরে এই কিতাবখানি থাকবে, মনে করা যাবে যে, তার ঘরে স্বয়ং নবী (সা) অবস্থান করছেন ও নিজে কথা বলছেন।
    বইটি কয়েকটি প্রকাশনী হতে বাংলা ভাষায় অনূদিত ও প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু এর তাহক্বীক সহ প্রকাশ করা হয় নি। হুসাইন আল মাদানী প্রকাশনী এ ব্যাপারে এগিয়ে এসেছে। এর তাহক্বীক করেছেন প্রখ্যাত মুহাদ্দিস শায়খ নাসির উদ্দীন আলবানী। অনুবাদ করেছেন হুসাইন বিন সোহরাব ও শাইখ মো: ঈসা মিঞা বিন খলিলুর রহমান।
    বইটির অনন্য বৈশিষ্ট্য:
    এটিতে জামি আত-তিরমিযী’র শুধুমাত্র সহীহ হাদীসগুলো সংকলিত হয়েছে। তাহক্বীক শাইখ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ) থেকে নেয়া হয়েছে।
    হাদীস সম্পর্কিত ইমাম তিরমিযী’র মতামতও সংরক্ষিত রয়েছে।
    একই হাদীস অন্য গ্রন্থে থাকলে তাও উল্লেখ করা হয়েছে। বেশ কিছু ক্ষেত্রে নম্বরও দেয়া হয়েছে।
    শাইখ নাসিরুদ্দীন আলবানী কোন গ্রন্থ হতে তাহক্বীক নেয়া হয়েছে তাওউল্লেখ করা হয়েছে। যেমন সিলসিলাহ সহীহাহ, ইরওয়াউল গালীল, আল কালিমুত তায়্যিব, সহীহুল জামে, রাওযুন নাযীর, তালীকুল রাগীব প্রভৃতি।
    হাদীস উল্লেখিত কুরআনের আয়াতগুলোর ক্ষেত্রে কুরআনের সূরা ও আয়াত নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে।
    একই হাদীসের কোন অংশ সহীহ ও কোন অংশ যইফ তাও উল্লেখ করা হয়েছে।

  • বইয়ের নাম
    বইঃ সুনান আবু দাউদ (তাহক্বীক)
     লেখক, লেখিকা / অনুবাদক
    আবু দাউদ সুলাইমান ইবনে আল-আশআস আল-আজদি আস-সিজিস্তানি
     প্রকাশনীর নাম
    আল্লামা আলবানী একাডেমী
     ডাউনলোড করুন

    হাদীসের সুনান গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সুনান আবূ দাউদ। ইমাম আবূ দাউদ (রহ) সুনিপুণভাবে ফিকহী মাসআলা অনুসারে এই হাদীসগ্রন্থটিকে সাজিয়েছেন। তাইতো ফিক্বাহবিদগণ বলেন : “একজন মুজতাহিদের পক্ষে ফিক্বাহর মাসআলা বের করতে আল্লাহর কিতাব কুরআন মাজীদের পরে এই সুনান আবূ দাউদই যথেষ্ট। সুনান আবূ দাউদের অনেকগুলো অনুবাদ বাজারে রয়েছে। সেগুলো কোনটিই তাহক্বীককৃত ( সহীহ ও যইফ আলাদকৃত ) নয়। আল্লামা আলবানী একাডেমীকৃত এই গ্রন্থটি অনুবাদ করেছেন আহসানুল্লাহ বিন সানাউল্লাহ। বইটির তাহক্বীক নেয়া হয়েছে শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ)-এর তাহক্বীক হতে। এখানে সবগুলো খন্ডের রিজিউমেবল ডাউনলোড লিংক। সেই সাথে Zip আকারে সবগুলো ফাইলও দেয়া হয়েছে।

    এই অনুবাদটির অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো :

    এটির হাদীসে সহীহ ও যইফ তাহক্বীককৃত করা হয়েছে যা বাজারের অন্যগুলোতে বিদ্যমান নেই।

    হাদীসের তাহক্বীকের ক্ষেত্রে শুধু শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ)-এর বর্ণনা নয়, সেই সাথে অন্য মুহাদ্দিসীনে কেরাম যেমন আহমাদ শাকির, শুআইব আরনাউত্ব, ইমাম যাহাবী, হাফেয ইবনে হাজার আসাক্বালানী, ড. মুস্তফা আযমী প্রমুখ এর তাহক্বীক ও মন্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে।

    হাদীসগুলো অন্য যে হাদীসগ্রন্থে রয়েছে সেগুলোও উল্লেখ করা হয়েছে।
    অন্যান্য হাদীস গ্রন্থের শুধু হাদীসগুলো নয় বরং সেই সাথে অধ্যায়ের নম্বর ও শিরোনামও বর্ণনা করা হয়েছে।

    হাদীস সহীহ ও যইফ এর ক্ষেত্রে শুধু উল্লেখ করা হয় নি। সেই সাথে কেনো সহীহ বা কেনো যইফ, কোন কোন রাবী দুর্বল বা মিথ্যাবাদী বা শাহেদ (সমার্থক) হাদীস রয়েছে কিনা তাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    হাদীস বা হাদীসের অনুচ্ছেদ থেকে আমরা কি শিক্ষা গ্রহণ করতে পারি তা উল্লেখ করা হয়েছে। যা অনন্য। এই বিষয়টি আমাদের হাদীস হতে উপকৃত হতে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ।

    প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরুর পূর্বে এ সংক্রান্ত মাসআলাগুলো সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করা হয়েছে। যা আমাদের সেই বিষয়গুলো থেকে বিশদ ধারণা পেতে সাহায্য করবে। যেমন উযূর পূর্বে উযূর মাসআলা, গোসলের পূর্বে গোসলের মাসআলা, তায়াম্মুমের মাসআলা প্রভৃতি।

    সুনান আবূ দাউদের কোন হাদীস মিশকাত শরীফে থাকলে তা নম্বর সহ উল্লেখ করা হয়েছে। যা মাদরাসায় পড়ুয়া ছাত্রদের সহযোগীতা করবে ।

    বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ মাসআলার ক্ষেত্রে কিভাবে সঠিক বিষয়টি জানা যায় বা কোন বিষয়টি সুন্নাহর কাছাকাছি সে বিষয় বিস্তারিত জানার জন্য টীকা সহ বিস্তারিত আলোচনা রাখা হয়েছে। শুধু একটি মতের হাদীসগুলো নয় সব মতের হাদীসগুলো নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। এবং নিরপেক্ষভাবে সহীহ সুন্নাহর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক তা আলোচনা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মুহাদ্দিসগণ ও ইমামদের মতামত কি তাও আলোচনা করা হয়েছে।

    “যা জানা জরুরি” শিরোনামে হাদীসের বিষয়গুলো সম্পর্কে কিছু লেখা হাদীসের সহীহ ও যইফ এর নীতিমালা বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা দিবে ।

    ” পিডিএফ এর কপিটিতে প্রত্যেকটি পাতায় ইন্টারেকটিভ লিংক ( Interactive Link ) যুক্ত করা হয়েছে। যাতে পাঠকদের পড়তে সুবিধা হয়। প্রতিটি সূচীপত্রে ক্লিক করে সেই কাঙ্খিত পেজে যেতে পারবেন আবার ক্লিক করে সূচীপত্রতে ফিরে আসতে পারবেন।